আপুর বান্ধবী যখন বউ - পর্ব (১১)

আমি ঃ আমি তোমাকে ভুল বুঝেছিলাম, আমাকে ক্ষমা করে দিও, নিজের ভালবাসা পাবার জন্য, তোমার সাথে মিথ্যা নাটক করেছি।
আফিফা ঃ তার জন্য অবশ্য তোমাকে অনেক বড় একটা দাম দিতে হবে।
আমি ঃ কি দাম দিতে হবে, তার জন্য।

আফিফা ঃ যেই পর্যন্ত ভাইয়া আর ভাবিকে বাবা মা না মানবে ততক্ষণ তুমি আরিফা আপু কে বিয়ে করতে পারবে না।
আমি ঃ যদি তোমার মা বাবা আনিছ ভাইয়ের বিয়ে না মেনে নেয় তাহলে তো সারাজীবন অবিবাহিত হয়ে থাকতে হবে।
আফিফা ঃ তাতে আমার কি, আমার সাথে নাটক করেছো তো এর সাজা ভোগ করতেই হবে, আর শোন আজ থেকে তুমি আমার বন্ধু, তবে বিয়ের আগ পর্যন্ত, আরিফা আপুর সাথে বিয়ে হলে তখন তোমাকে দুলাভাই ডাকবো।
আমি ঃ ঠিক আছে,  তবে তুমি আমাকে সাহায্য করবে।



আফিফা ঃ তোমার যখন আমাকে প্রোয়োজন হবে তখন, বলবে, তবে হ্যা আমি তোমাকে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলেছিলাম।
আমি ঃ সরি, আর বলো না, আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না।
আফিফা ঃ আরে শালী দুলাভাইয়ের মাঝে এমন হয়।
আমি ঃ তাহলে তুমি কি আমার সাথে এখন কিশোরগঞ্জ যেতে পারবে।
আফিফা ঃ কিশোরগঞ্জ এখন গেলে কি হবে।
আমি ঃ তোমার ভাইয়া আর তোমার ভাবিকে ফিরিয়ে আনবো, আর তোমার ভাইয়ার সন্তান কেও।
আফিফা ঃ যদি বাসায় কোন কিছু হয় তাহলে কিন্তু এর দায়ভার আমি নিতে পারবো না।
আমি ঃ তুমি এত চিন্তা করো না, তো আমি সব কিছু সামলিয়ে নিবো।

তারপর আরিফা কে ফোন দিলাম।

আমি ঃ আরিফা একটু হাইওয়ের মোরে আসো।
আরিফা ঃ কেন, কি হয়েছে।
আমি ঃ যা বলছি তাই করো।
আরিফা ঃ মা বাবা তো আমাকে নিয়ে বিয়ের শপিং করতে যাবার জন্য বলছে।
আমি ঃ তুমি আসবে কি আসবে না।
আরিফা ঃ মা বাবা কে কি বলবো।
আমি ঃ বলো আনিছ ভাই এক্সিডেন্ট করেছে।
আরিফা ঃ ঠিক আছে, কিন্তু যদি মা বাবা আমার সাথে আসতে চায় তাহলে কি করবো।
আমি ঃ যা তোর আসতে হবে না, তুই বিয়ে কর আর আমি আফিফা কে নিয়ে কাজি অফিসে গেলাম।
আরিফা ঃ ঐ হারামী আমি আসতাছি, আর শোন আফিফার দিকে খারাপ নজরে তাকাবি না।
আমি ঃ তুই আনিছ ভাইরে বিয়া করবি আর আমি কি মাইয়ারে মাইয়ারে তুই অপরাধী গান শুনবো।
আরিফা ঃ দেখ উল্টা পাল্টা কিছু করলে আমি আত্বহত্যা করবো বলে দিলাম।
আমি ঃ তাহলে তারাতাড়ি আসো, আর শোন কিছু টাকা নিয়ে এসো, আমার কাছে তেমন টাকা নেই।
আরিফা ঃ গার্লফ্রেন্ডের টাকার উপর এত নজর কেন।
আমি ঃ তুই আমার গার্লফ্রেন্ড না, আমার বড় আপুর বান্ধবী।
আরিফা ঃ আমি বের হয়ে গেছি আর দশ মিনিট লাগবে বড়ঝোর।
আমি ঃ ঠিক আছে আসো।

ভাবছি একটু মজা করা যাক,, আরিফাকে আসতে দেখে আমি আফিফার হাত ধরে কথা বলছি। আফিফাকে বললাম আরিফা কাছে আসলে পা ধরে সালাম করবো দুজন দেখি কি করে।
আরিফা দূর থেকে দেখে আগুন হয়ে কাছে আসলো।
কাছে আসতেই আমি আর আফিফা আরিফাকে সালাম করছি।

আরিফা ঃ এই তুই সত্যি সত্যি আফিফা কে ভালবেসে ফেলেছিস,
আমি ঃ তোমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, আনিছ ভাই ছেলে হিসেবে খারাপ না, তাই ভাবলাম তোমাকে কষ্ট দিয়ে লাভ কি, তোমার পরিবারের বাইরে তুমি যেতে পারবেনা, আমিও আমার পরিবারের বাইরে যেতে পারবো না, তাই ভাবছি বিয়েটা  করে নিবো, আমাদের জন্য দোয়া করবেন আপু।

আরিফা  চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে,।

আমি ঃ আমাদের বিয়ের সাক্ষী পাচ্ছিনা তুমি আমাদের বিয়ের সাক্ষী হবে, আর সাইদ দুজন মিলে আমাদের জন্য দোয়া করবে, বিয়েতে বড়দের দোয়ার প্রয়োজন হয়।
আফিফা ঃ আপু তুমি খুশি হওনি।
আরিফা চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বলছে।
আরিফা ঃ আমি খুব খুশি হয়েছি,

কথাটা বলেই আমার গালে থাপ্পড় দিতে যাবে এমন সময় আফিফা আরিফার হাত ধরে ফেলে।

আফিফা ঃ ছি ছি আপু । তুমি আমিরুল কে মারছো কেন।
আরিফা ঃ তুই আমার সামনে থেকে সরে যা আমি আমিরুল কে খুন করে ফেলবো, শালা চিটার বাটপার।
আফিফা ঃ ছি আপু বিয়ের আগে নিজের স্বামীকে এসব বলতে নেই।
আরিফা ঃ নিজের স্বামী আর কোথায় থাকলো তুই তো আমার সব স্বপ্ন নষ্ট করে দিলি।
আমি ঃ আপু আপনি ঠান্ডা হন।
আরিফা ঃ ঠান্ডার মাইরে বাপ হাপ লিটার সেভেনআপ, তুই হবি আফিফার বাচ্চার বাপ, আমি তরে কেমনে করি মাপ।
আফিফা ঃ তোমার আমিরুল তোমারী আছে, আমরা তোমার সাথে একটু মজা করলাম।
আরিফা একটু মুচকি হেসে বলল,
আরিফা ঃ কিসের মজা করিস তরা আমার মনে হচ্ছিল আমার আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে,, আমি তো ভেবেছিলাম বাসায় গিয়ে আত্বহত্যা করবো।
আমি ঃ এই কথা আর কখনো বলবে না, সরি আর এমন মজা করবো না,,,,
আরিফা কোন কথা বললো না সরাসরি ঝড়িয়ে ধরে কান্না করতে থাকলো।
আমি ঃ আরিফা ছাড়ো এখানে অনেক মানুষ আছে,।
আরিফা ঃ তাতে আমার কিছুই যায় আসে না।
আফিফা ঃ এই যে সব কিছু এখানে না করে বাসর রাতের জন্য কিছু বাকি রাখেন।
আরিফা একটু স্বাভাবিক হয়ে আমাকে ছাড়লো।
আরিফা ঃ বলো কি জন্য ডেকেছো ।
আমি ঃ আমরা এখন কিশোরগঞ্জ যাবো।
আরিফা ঃ এখন কিশোরগঞ্জ কেন।
আমি ঃ আনিছ ভাইয়ের বউ বাচ্চা দেখতে যাবো।
আরিফা ঃ কি বলছো এইসব আনিছ ভাই বিবাহিত।
আমি ঃ একটা বাচ্চাও আছে।
আরিফা ঃ আর একটু হলেই তিনটা জীবন নষ্ট হয়ে যেত।
আমি ঃ জী না, চারকা জীবন,, কারণ আনিছ ভাইয়ের বাচ্চা আছে।
আরিফা ঃ এই কথা আমাকে আগে বলো নি কেন।
আমি ঃ এখন চলো সবাই আগে গিয়ে দেখি আনিছ ভাইয়ের কি অবস্থা।

রওনা দিলাম, পুরোটা রাস্তায় আরিফা বকবক করেই যাচ্ছে, আমি এই তুমি একটু থামো তো, এখন আর ভালো লাগছে না।

আরিফা ঃ এই বেশি তেরি বেরি করলে একটা দিবো গালে।
আমি ঃ দাওনা অটাই আর বাকি রাখো কেন।
আরিফা ঃ থাক আর মার দিবো না।
তারপর গেলাম কিশোরগঞ্জ
সাইদ কে কল দিলাম।
সাইদ ঃ কিরে খোঁজ নেওয়ার সময় হয়ছে তোর, আমাকে এখানে পাঠিয়ে তো আমার কথা ভুলেই গেলি।
আমি ঃ দোস্ত তকে অনেক ধন্যবাদ এখন তুই একটু কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের সামনে আয়, তকে অনেক দরকার আমি আরিফা আর আফিফা আসছি।
সাইদ ঃ এইটা আবার কে ,।
আমি ঃ আনিছ ভাইয়ের বোন।
সাইদ ঃ ও , ঠিক আছে তাহলে আমি আসছি।

তারপর সাইদ আসলো আমরা কিশোরগঞ্জ শহরের কিছু যায়গা ঘুরে দেখলাম, সত্যি বলতে কি কিশোরগঞ্জ শহর ছোট কিন্তু অনেক সুন্দর করে সাজানো, একটু পর পর ছোট ছোট ব্রীজ, কলেজের সামনে ব্রিজ সব কিছু অল্প যায়গার মাঝে, ছোট ছোট টাওয়ার আছে আট তালা উঁচু হবে হয় তো সেখানে উঠলে সব কিছু দেখা যায়।

কিছুক্ষণ পর সাইদ আসলো
তারপর ওকে নিয়ে ক্লিনিকে গেলাম।
আমি  দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বললাম।

আমি ঃ আনিছ ভাই ভিতরে আসবো।
আনিছ  কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো।
আনিছ ঃ তুমি এখানে কেন, আর কিভাবে এলে এখানে।
আমি ঃ আমি একা আসিনি পুরো টিম নিয়ে এসেছি।
তারপর ভিতরে গেলাম।
আনিছ ঃ ভাই তুমি এখানে আসলে কেন।
আমি ঃ এই তোমরা ভিতরে আসো।
তারপর ওরা ভিতরে আসলো।
আনিছ ভাই পুরাই ভয় চুপসে  গেছে।
আমি ঃ আনিছ ভাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমরা সব কিছু জানি, আপনি কোন চিন্তা করবেন না।
আনিছ ঃ আরিফা আমি সরি  আসলে আমারো তেমন কোন চিন্তা ছিলো না।
আরিফা ঃ ঐ সালা তুই আমার হাত ধরতে চাইছিলি কেন, তোর নামে আমি চিটিংবাজি মামলা দিবো।
আনিছের বউ ঃ দয়াকরে আমার সর্বনাশ করবেন না, আমি ওকে টাইট করবো ওর হাত দুটো ভেঙ্গে ফেলবো, আমাকে বিয়ে করছে ঘরে তুলতে পারেনি,, আমি ওর জন্য নিজের পরিবার ছেড়ে চলে আসলাম, আর আজো আমি আমার শশুর বাড়িতে যেতে পারলাম না।

আমি ঃ ভাবি আপনি কোন চিন্তা করবেন না, আমরা আপনাকে নেওয়ার জন্য আসছি।
আনিছ ঃ ভাই তোমরা আমাকে মারো কাটো যায় করো আমার সংসার ভেঙ্গে দিওনা।
আরিফা ঃ তাহলে এখনি আমার মা বাবাকে বলেন আপনি বিবাহিত।
আনিছ ঃ আর একটু সময় দাও,, আমি আর আমাদের পরিবারে যাবো না,, তোমাদের সামনে কখনো যাবো না।
আমি ঃ তাতো হবে না ভাই আপনাকে আমাদের সাথে যেতে হবে।
আনিছ ঃ কিন্তু আমার স্ত্রীর এমন সময় কিভাবে যাবো।
আমি ঃ আপনি আর ভাবি এম্বুলেন্স দিয়ে যাবেন আমরা আলাদা ভাবে যাবো।
তারপর একটা গাড়ি নিয়ে আনিছ ভাই আর ভাবিকে পাঠিয়ে দিলাম,,
আর আমরা চারজন একসাথে গাড়ি দিয়ে যাচ্ছি।
আমি ঃ সাইদ তোকে অনেক ধন্যবাদ, তুই আমার আসলে কলিজার টুকরা।
সাইদ ঃ পাম দেওয়া বন্ধ কর,, কলিজার টুকরা তা এত দিন খোঁজ খবর নিলিনা কেন।
আমি ঃ ঐ সালা ঘরে কি বউ আছে নাকি তোর, গিয়ে তো দেখবি খালি বিছানা, এত ভাবনেস কে।
সাইদ ঃ ভালো করে কথা বল নয়লে, এদের সামনেই কেলাবো।
আমি ঃ ঠিক আছে, খাওয়া দাওয়া শেষ করছিস।
সাইদ ঃ যে টাকা দিছর তা দিয়ে হোটেলের ভাড়া দিতে দিতেই শেষ, এখন পকেটে মাত্র ২০ টাকা আছে,, মনে করেছিলাম আজকে বাসায় ফোন দিয়ে টাকা নিবো।
আমি ঃ আমাকে বললি না কেন।
সাইদ ঃ দাড়া তোকে বলতে যাবো কেন,, আর হোটেলের রিসিভশনের মেয়েটার সাথে বেশ ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে,, ঐ মেয়েটাকে প্রপ্রোজ করতেই হবে।
আমি ঃ আহারে কি কষ্ট।

আরিফা ঃ আমিরুল তুমি এত কথা বলো কেন, সাইদ ভাই আপনার যেই মেয়েটাকে ভাল লেগেছে তার নাম কী।
সাইদ ঃ দূর মিয়া তোমরা চুপ করো,, আমি ফোন নাম্বার আর ফেইসবুক একাউন্ট সব নিছি,, আমাকে সেখাতে হবে না,, তোমরা তোমাদেরটা ঠিক করো,, আগেরবার আমিরুল কে বলছিলাম আমার একটা মেয়ে পছন্দ হয়েছে তখন গিয়ে মেয়েটাকে বলছে যে আমি নাকি মেয়েটাকে দেখলে মেরে ফেলবো,, সেই মেয়েটা আমার সামনে আসেনি,,,, একদিন দূর থেকে দেখে মেয়েটাকে ডাক দিছি মেয়েটা আমাকে দেখে দৌড়াতে থাকে, আর বলতে থাকে বাচাও বাঁচাও, তোমাদের কাউকে আমার দরকার নাই।

আমি ঃ সাইদ তোর রেডিও বন্ধ কর ভাই,।
আফিফা ঃ আমিরুল ভাই আপনি আসলেই হিংসুটে মানুষ,,
আরিফা ঃ তুমি সাইস ভাইয়ের সাথে এমন করছিলা কেন।
আমি ঃ সাইদ এইটা তোর কত নাম্বার গার্লফ্রেন্ড,,
সাইদ ঃ ১১৩ একশত তের নাম্বার।
কথাটা বলার সাথে সাথে আরিফা আর আফিফা সাইদ কে হা করে দেখতে লাগলো।
সাইদ ঃ এই তোমরা আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেন, আমি যেই মেয়েকে দেখি সেই মেয়েকেই পছন্দ হয়ে যায় এতে আমার কি করার আছে,, বলো, তা ছাড়া যার মন পরিস্কার তার কাছে সবাই কে ভাললাগে,,,,,।
আমি ঃ আরিফা আফিফা ওর কথা বাদ দাও।
সাইদ ঃ আফিফা তোমার বয়ফ্রেন্ড আছে।
আফিফা ঃ না, কেন।

সাইদ ঃ আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি, এই টুকু সময়ের মধ্যে তুমি আমার মন কেরে নিয়েছো,
আফিফা ঃ আপনি আমার ধর্মের ভাই, আপনি আমাকে বোনের নজরে দেখবেন।
সাইদ ঃ কিভাবে নিজেকে সরিয়ে রাখবো, তোমার সুন্দর চুল, গোলাপের পাপড়ির মত ঠোঁট, মায়াবি চোখ, চাঁদের মত মিষ্টি হাসি সব মিলিয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি,,‌
আরিফা ঃ আমিরুল সাইদ কে দেখে সেখো।
আমি ঃ হুম তুমি ঠিক বলছো,  কিভাবে কিভাবে মেয়ে পটাতে হয়। আমিও চেষ্টা করবো।
আরিফা ঃ চোখ দুটো তুলে ফেলবো, আমি বলছি কিভাবে প্রসংশা করতে হয় তা শিখতে।
তারপর কথা বলতে বলতে চলে এলাম আরিফার বাসায়।

ভিতরে গিয়ে দেখি চেঁচামেচির আওয়াজ পেলাম, মনে হয় আরিফার বাবা চেঁচামেচি করছে।
আমরা ভিতরে যেতেই আরিফার বাবা আরিফাকে বলছে
আংকেল ঃ আরিফা এ বিয়ে হবে না,, আনিছ বিয়ে করেছে অনেক আগেই, তার বাচ্চা আছে।
আরিফা ঃ আমি জানি।

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,

SHARE THIS

0 Comments:

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।