আপুর বান্ধবী যখন বউ - পর্ব (৬)

তোমার পথের কাঁটা আরিফা
চিঠিটা পড়ে সত্যিই অনেক খারাপ লাগছে চোখের কোনে জল জমতে থাকলো,
কান্না চেপে রাখতে পারলাম না,
তাই চিৎকার দিয়ে কান্না করতে থাকলাম।
ভালবাসা কি তা আমি সত্যিই বুঝিনা, কখনো বোঝার চেষ্টা করিনি, না চাইতেই যেই ভালবাসা পাওয়া যায় সেই ভালবাসাকে আমরা মূল্য দিতে জানিনা,
আমার সব অপমান সহ্য করেও যে আমার কথা ভাবতো সেই আমাকে আসলে ভালবাসে,
আমি কি করবো এখন কি আরিফা আমার কাছে আসবে বা আমি বললে সে আমার কথা মানবে।
সব কিছু কেমন যেন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে,
মেয়েটা তো কোন দিক দিয়ে খারাপ না,




দেখতে অনেক সুন্দরী, অসহায় মানুষের পাশে নিজেকে বিলিয়ে দেয় , তার পরিবারো একি রকম।
না আমি আমার ভালোবাসা কে হারিয়ে যেতে দিবো না,
যেভাবেই হোক আমাকে আরিফার বিয়ে আটকাতে হবে।
মিজান সাইদ কে ফোন দিলাম দরকার হলে আরিফাকে তুলে আনবো।
তাও নিজের ভালবাসাকে হারিয়ে যেতে দিবো না।
কিছুক্ষণ পর ওরা আসলো।
সাইদ ঃ দোস্ত তুলে আনতে পারবো যদি আরিফা রাজি থাকে।
আমি ঃ আরিফা মনে হয় রাজি হবে।
মিজান ঃ কনফার্ম করে তারপর বল।
আমি ঃ ঠিক আছে।
আরিফা কে ফোন দিলাম।
আমি ঃ আরিফা আমি সরি ।
আরিফা ঃ সরি কেন বলছো ।
আমি ঃ তোমাকে আমি কখনো বুঝতে পারিনি ।
আরিফা ঃ সেটাই তো তোমার জন্য ভালো হয়েছে তবে আমার জন্য হয়েছে কষ্টের কারণ।
আমি ঃ প্লিজ তুমি আমার জীবনে ফিরে আসো কখনো কোন অভিযোগ করার সুযোগ দিবো না।
আরিফা ঃ এখন আবার কিছু করার নাই, বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেছে, আমি বাবার কথার বাহিরে যেতে পারবো না।
আমি ঃ তাহলে আমার কি হবে।
আরিফা ঃ আমার চেয়ে বেশি সুন্দর ও ভালো মেয়ে পাবে, চিন্তা করো না, আমি তোমাকে বিরক্ত করবো না, আর তোমার কানের কাছে বকবক করবো না, তবে তোমার সাথে কাটানো দিন গুলো কখনো ভুলতে পারবো না।
আমি ঃ আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।
আরিফা ঃ আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, আর আমাকে ছেলের বাবা মা আংটি পরিয়ে দিছে, আমিও হ্যা বলে দিছি, এখন আর কিছু করার নাই,।
আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম
আমি ঃ আরিফা আমাকে একটাবার সুযোগ দাও।
আরিফা কান্না করতে করতে বললো
আরিফা ঃ আমি তোমাকে ভালোবাসতাম, এখন বাসি না, আর শোন পারলে ক্ষমা করে দিও তোমাকে অনেক বিরক্ত করেছি।
আমি ঃ ঠিক আছে, তুমি যদি না চাও তাহলে আমি কিছু বলবো না, যেভাবে তুমি ভালো থাকো সেভাবেই থাকো, আমি তোমাকে অনেক বিরক্ত করেছি, পারলে ক্ষমা করে দিও।
আরিফা ঃ তুমি কি একটু আমাদের বাসায় আসতে পারবে।

আমি ঃ কেন।
আরিফা ঃ একটু শপিং করতে যাবো বিয়ের পর তো আর তোমার সাথে কথা বলতে পারবো না, তখন অন্ন কারো জীবনের সাথে জড়িয়ে যাবে আমার জীবন, তুমি একটু আসো।
আমি ঃ ঠিক আছে আসছি।
তারপর আরিফাদের বাসায় গেলাম,
বাসাটা অনেক বড় কিন্তু পরিবারের সদস্য মাত্র তিনজন।
আরিফা  তার মা বাবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো,
কিছুক্ষণ কথা বলার পর আরিফা বললো
আরিফা ঃ আমিরুল চলো শপিং করতে যায়।
আমি ঃ হুম চলো।
এরপর রিক্সা নিয়ে শপিং করতে গেলাম, কেউ কোন কথা বলছি না।
তবে আরিফার চোখের কোনে মুক্তার মতো জল জল করছে।
আমি ঃ আরিফা তুমি কাঁদছো ।
আরিফা ঃ না আসলে রাস্তার ধুলো এসে চোখে পানি চলে এসেছে,, তা তোমার চোখে পানি কেন।
আমি ঃ আমারো একি অবস্থা রাস্তার ধুলোর কারণেই।
আরিফা ঃ ভালো।
আমি ঃ হুম।
কিছুক্ষণ পর মার্কেটে গেলাম,
আরিফা ঃ কোন রঙের বেনারসি কিনবো।
আমি ঃ তোমার যেই রঙ পছন্দ।
আরিফা ঃ তুমি বলো, তোমার পছন্দের জিনিস পড়ে আমি স্বামীর বাড়ি যাবো।
আমি ঃ লাল রঙের বেনারসির, পড়নে হাল্কা গয়না, আর কপালে ছোট্ট একটা টিপ, হাল্কা মেকআপ, তাহলে তোমার স্বামী তোমার উপর থেকে চোখ সরাতে পারবে না।
আরিফা ঃ ঠিক আছে, তাই হবে তারপর হাল্কা কিছু কেনাকাটা করে বাহিরে এলাম।
আমি ঃ আরিফা চলো রেস্টুরেন্টে যায়।
আরিফা ঃ না, বাসায় যাবো।
আমি ঃ শপিং করার পর তো না খেয়ে বাসায় কোন দিন যাওনি।
আরিফা ঃ জীবনে অনেক কিছুই প্রথমবার হয়, নিজের অব্যাস গুলো পরিবর্তন করতে চেষ্টা করছি।
আমি ঃ ঠিক আছে তাহলে চলো তোমাকে বাসায় পৌছে দেয়।
আরিফা ঃ চলো।
তারপর আরিফার সাথে ওদের বাসায় গেলাম।
আরিফার মা বললো।
আন্টি ঃ আমিরুল বসো আমি নাস্তা নিয়ে আসি।
আমি ঃ না আন্টি আমার খিদে নেই।
আন্টি ঃ তা হয় না, তোমাকে খেতেই হবে।
আন্টি নাস্তা আনলো কিন্তু আমি মুখে নিয়ে বসে আছি, কিছুক্ষণ পর আন্টি বললো
আন্টি ঃ আমিরুল তুমি খাচ্ছ না কেন।
আমি ঃ আন্টি আমার ভিতরে নিতে পারছি না।
আন্টি ঃ পানি খাও, তাহলে ঠিক হয়ে যাবে।
আমি ঃ আন্টি আমি আসি আমার মাথাটা একটু ব্যথা করছে।
এরপর আর কারো কোন কথা শুনলাম না, সোজা বের হয়ে এলাম, বিষয়টা আরিফা লক্ষ্য করেছে।
বাসায় এসে দরজা বন্ধ করে বাথরুমে গিয়ে একঘন্টা দাঁড়িয়ে আছি, সাওয়ারের পানির সাথে চোখের জল মিশে পরছে।
একটু পাগলামী করার কারণে আজকে এই অবস্থা।

সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হয়ে নদীর পাড়ে বসে আছি, এমন সময় তানিশা ফোন করলো।
আমি ঃ কিছু বলবি ।
তানিশা ঃ হ্যা, শোন, এমন কোন কাজ করিস না তার জন্য মা বাবা আর আমাকে আরিফার পরিবারের কাছে অপমান হতে হয়।
আমি ঃ না, তুই নিশ্চিন্তে থাক এমন কিছু করবো না,
তানিশা ঃ সব কিছুর সময় থাকে, সময় পার হয়ে গেলে আর তার কোন মূল্য থাকে না ।
আমি ঃ যেমন।
তানিশা ঃ মনে কর ঔষধ একটা জিনিস তার যতদিন মূল্য থাকে ততদিন পর্যন্ত তাকে প্রয়োজন হয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে তা বিষ হয়ে যায়, ঠিক তেমনি তোর ভালবাসার অবস্থা, তাই বলছি আবেগের বসে কোন সিদ্ধান্ত নিবি না, আমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট করিস না।
আমি ঃ এত জারি মারিস না তো, আমি এত ছোট নয়, আর ফোন রাখ, কাটা গায়ে লবনের ছিটা দিবি না, ফোন রাখ।
তানিশা ঃ আমার কথাটা মাথায় রাখিস 
এরপর ফোন কেটে দিল।
কোন বন্ধুকে কাছে আনতে পারছি না,
একদিকে ভালবাসা অন্যদিকে পরিবারের সম্মান,
না আর কিছু ভাবতে পারছি না।
রাতের বেলা বাসায় গিয়ে বিছানায় কতক্ষন ছটফট করে বুঝতে পারলাম ঘুম আমার কাছ থেকে ছুটি নিয়েছে, চোখে ঘুম নাই,
সবাই অভিমান করেছে শুধু ঘুমটা ছিলো সেও অভিমান করেছে।
ছাদে গিয়ে বসে আছি, কোন কাজ হলো না তাই বাসা থেকে বের হয়ে দোকানে গিয়ে দুইপেকেট সিগারেট কিনলাম,
তারপর ছাদে গিয়ে বসে বসে একটার পর একটা সিগারেট ধরিয়ে টানছি সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়ায় আমার লাল রঙের হার্টে লাগছে এভাবে কেটে গেল অনেক সময়,
দূর থেকে ভেসে আসছে ফজরের আযান।
তারপর নিচে চলে এলাম,,
আর মাত্র ছয়টা দিন বাকি আছে, তারপর আর ফিরে আসবে না আরিফা নামক মেয়েটা।
রুমে এসে গোসল করে বসে আছি, অনেক খুদা লাগছে,, কিন্তু পেটে তো কোন কিছু যাচ্ছে না, ভিতরে নিতে পারছিনা,,
এখন বুঝতে পারছি না পাওয়ার কষ্ট কাকে বলে।
সকাল ১০ টায় আরিফার কল আসলো
আরিফা ঃ আমিরুল আজকে আনিছ ভাই আমাদের বাসায় আসবে, মা বাবা বলছে আমাকে ইয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করতে তুমি কি আমার সাথে যেতে পারবে , আমার না একা একা যেতে ভয় লাগছে।
আমি ঃ আনিছ আবার কে , আর ভয় লাগার কি আছে।
আরিফা ঃ আনিছ ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। আর তুমি আমার সাথে গেলে কি তোমার কোন সমস্যা আছে।
আমি ঃ ঠিক আছে আমি আসছি।
আরিফা ঃ একটু তাড়াতাড়ি আসো।
আমি ঃ ঠিক আছে আসছি।
মেয়েটা ইচ্ছা করেই আমাকে বারবার ডাকছে আরিফা জানে এসব দেখে আমার কষ্ট হচ্ছে তারপরও কেন আমাকে ডাকে আমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য
তারপর আরিফার বাসায় গেলাম ।
একটু পর আরিফা আসলো।
আরিফা ঃ চলো কিছুক্ষণের মধ্যেই আনিছ ভাই আসবে এখন চলো।
আমি ঃ হুম চলো।
তারপর ওদের বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে ইয়ারপোর্টের দিকে রওনা দিলাম,।
গাড়ি চালানোর দায়িত্ব দিল আমার উপর।
 আমি ঃ আরিফা আপু একটা কথা বলি ।৩
আরিফা ঃ এতদিন পড় তুমি আমাকে আপু ডাকছো কেন।
আমি ঃ সেটা আমার ভুল ছিলো।

আরিফা ঃ তুমি আমাকে নাম ধরেই ডাকবে তাতে আমার কাছে ভালো লাগে, আর কি বলবে বলো।
আমি ঃ আমি তোমাকে আপু বলেই ডাকবো, আর শোন এরপর থেকে আমাকে আর ডাকবে না।
আরিফা ঃ আমি কবুল বলার আগে পর্যন্ত তুমি আমার সাথে থাকবে, তারপর যেখানে যেতে মন চায় সেখানে যাবে।
আমি ঃ আপু আমার কাছে ভালো লাগে না।
আরিফা ঃ তুমি আমাকে বন্ধু ভাবো তাহলেই আর খারাপ লাগবে না।
আমি ঃ আমার সাথে তর্ক করবে না।
আরিফা ঃ কেন কষ্ট হয়, ভয় পাও।
আমি ঃ না, তুমি বলেছো তাই এখন আর তোমাকে ভালোবাসি না।
আরিফা ঃ তাহলে সমস্যা কোথায়।
আমি ঃ আমার কাছে ভালো লাগে না, তাই বলছি।
আরিফা ঃ সত্যি কথা বলতে আমার কোন ছেলে বন্ধ নেই, তাই বাধ্য হয়ে তোমার সাহায্য নিতে হচ্ছে।
আমি ঃ কিছুক্ষণ পর তো তোমার জীবন চলার বন্ধু কে পেয়ে যাবে তো আর নতুন করে বন্ধুর কোন প্রয়োজন হবে না।
আরিফা ঃ আমি বিয়ের আগ পর্যন্ত তোমাকে পাশে চাই।
কথা বলতে বলতে ইয়ার্পোর্টে চলে গেলাম,
কিছুক্ষণ পর একটা ছেলে আসলো
আরিফা ঃ আনিছ ভাই কেমন আছেন।
আনিছ ঃ ভালো তুমি কেমন আছো।
আরিফা ঃ অনেক ভালো আছি।
আনিছ ঃ ধারাও আমার সাথে আমার ছোট বোন এসেছে, একটু অপেক্ষা করো তারপর জাবো।
আরিফা ঃ আনিছ ভাই ও আমিরুল।
আনিছ ঃ hi ।
আমি hello।
আনিছ ঃ কেমন আছেন।
আমি ঃ অনেক ভালো আছি, মন চাইছে খুশির চোটে বিয়ার খাই।
আনিছ ঃ আরে ভাই আপনি তো আমার মনের কথা বলছেন তবে আমি বিয়ার খাই না মদ খায়, নিয়তিত চলে তবে রাতের বেলা ।
আরিফা আনিছের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে,
আমি ঃ এখানে তো মদ পাবেন না, কারণ আপনার হবু শশুর তা এলাউ করবে না।
আনিছ ঃ কোন ব্যপার না আমি বাহির থেকে খেয়ে আসবো।
আরিফা মাথায় হাত দিয়ে বলে আপনি মদ কবে থেকে খান।
আনিছ ঃ কয়েক বছর ধরে।
আমি ঃ আরে আরিফা এইটা কোন সমস্যা না, ঘরে সুন্দরী বউ থাকলে কোন পুরুষ মদ খায়না।
আনিছ ঃ আরে ভাই আপনারা এই কথাটা সিরিয়াসলি নিচ্ছেন কেন, আমি তো মজা করছিলাম।
আরিফা ঃ ও তাহলে ঠিক আছে চলেন।
আনিছ ঃ ধারাও আফিফা আসুক।
একটু পর একটা মেয়ে আসলো, কিছুক্ষণ কথা বলার পর লক্ষ্য করলাম মেয়েটা আগুনের মত সুন্দরী, যদি দুইটা ডানা লাগানো যেত তাহলে পরী বলে চালিয়ে দেওয়া যেত
আরিফা আর আনিছ পিছনে বসলো।
আফিফা আমার সাথে বসলো।
আমি নিজের মত করে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছি।
আফিফা ঃ আমিরুল আপনি কি করেন।
আমি ঃ তেমন কিছু না, পড়ালেখা করছি।
আফিফা ঃ তারপর কি কলবেন,।
আমি ঃ বাবার ব্যবসা সামলাবো না হয় নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করবো।
আনিছ ঃ আরিফা তোমার কি মন খারাপ।
আরিফা ঃ আমিরুল তুমি ভালো করে গাড়ি চালাও ড্রাইভ করার সময় কথা বলতে হয় না।
আনিছ গিয়ে আরিফার হাত ধরতে যাবে এমন সময় আরিফা হাত ছাড়িয়ে বলে।
আরিফা ঃ আনিছ ভাই, বিয়ের আগে কোন ভাবেই আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করবেন না।
আনিছ ঃ সমস্যা কোথায়, আমরা তো কিছু দিন পর বিয়ে করছি।
আরিফা ঃ বিয়ের পর দেখা যাবে, বিয়ের আগে আমার সাথে এত কথা বলার চেষ্টা করবেন না।
আনিছ ঃ তুমি কী বিয়েটা পরিবারের চাপে করছো।

আরিফা ঃ আমি এখনি বিয়ে করার চিন্তা করিনি, আমি চেয়েছিলাম পড়ালেখা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে।
আনিছ ঃ আরিফা আমার কি টাকার অভাব নাকি যদি তোমার কিছু করার ইচ্ছা থাকে তাহলে তুমি আমার অফিস দেখা শোনা করতে পারো দুজন মিলে আমাদের অফিস দেখবো, আর বিয়ের পর এমনিতেই তোমার বাবার সবয কিছু আমাকেই দেখা শোনা করতে হবে।
আরিফা ঃ আপনি একটু চুপ করবেন দয়াকরে।
আনিছ ঃ ঠিক আছে একদম চুপ করলাম।
এমন সময় আফিফা আমার হাত ধরতে চাইছে বারে বারে বিষয়টা আরিফা খেয়াল করছে।
আরিফা ঃ আমিরুল গাড়ি থামাও।
আমি ঃ কেন।
আরিফা ঃ আমি বলছি গাড়ি থামাতে।
তারপর গাড়ি থামালাম।
আরিফা ঃ আফিফা তুমি পিছনে এসে তোমার ভাইয়ের সাথে বসো।
আফিফা ঃ আরিফা আপু, তুমি পিছনে বসো প্লিজ আমি এখানেই বসি,।
আরিফা ঃ আমিরুল তুমি পিছনে আসো আমি গাড়ি ড্রাইভ করি।
আফিফা ঃ আপু তুমি এমন করছো কেন।
আরিফা ঃ একদম চুপ, তুমি পিছনে আসো।
তারপর আরিফা আমার সাথে বসলো আর আফিফা ওর ভাইয়ের সাথে,,
এতক্ষণের ঘটনা দেখে বেচারা আনিছ ভাইয়ের মুখের সব হাসি উধাও হয়ে গেছে।৫
তারপর বাসায় নামিয়ে দিয়ে দিয়ে আমি চলে আসি, নিজেকে অনেক হাল্কা লাগছে এখন আরিফার সাথে থাকলে অনেক ভালো লাগে,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,

SHARE THIS

0 Comments:

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।