ছেলে থেকে মেয়ে হবার গল্প


ডাক্তার সাহেব, আমি সেক্স চেঞ্জ অপারেশন করে মেয়ে হয়ে যেতে চাই।'

বক্ষব্যধি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মঈন অবাক হয়ে সামনে বসে থাকা ছেলেটাকে দেখেন। ছেলেটার বয়স কত হবে? সাতাশ বা আটাশ?
জিজ্ঞেস করে, 'কি বললেন, মিস্টার...!'
- কামাল, কামাল হোসেন। নিজের নাম বলে ছেলেটা। বলে, যা বলেছি ঠিকই শুনেছেন।
- আপনি মেয়ে হয়ে যেতে চান?
- হ্যা চাই৷ আপনি বলেন কি কি করা লাগবে।

মঈন মাথা নাড়ে, 'যা ই করা লাগুক না কেন, সেটা আসলে আমার ডিপার্টমেন্ট না। আপনি ভুল ডাক্তারের কাছে এসেছেন। এটা প্লাস্টিক সার্জারির কাজ। আপনি একজন কসমেটিক সার্জনের কাছে যান।'
- আপনি পারবেন না?
- উহু, আমি মানুষের বুক স্পেশালিস্ট। ছেলে আর মেয়ের বুক দেখতে আলাদা তাই বলে এই না যে আমি আপনাকে মেয়ে বানাতে পারব৷ আমি বুকের ভেতরটা নিয়ে কাজ করি, বাইরে না।

'আচ্ছা ঠিক আছে, কামাল উঠে পড়তে চায়। তাহলে আমি একজন প্লাস্টিক সার্জনের সাথে যোগাযোগ করবো।'
- সে নাহয় করবেন, মঈনের কৌতুহল হয়। আমি কি জানতে পারি আপনি ঠিক কোন কারণে মেয়ে হতে চাচ্ছেন?

উঠতে গিয়েও আবার বসে পড়ে কামাল। তার মুখে স্পষ্ট দুঃখের ছাপ পড়ে। অনেক্ষণ চুপ করে থেকে বলে, 'আমি আসলে সিঙ্গেল।'
- তো?
- আমি আসলে অনেক বেশি সিঙ্গেল। এতো সিঙ্গেল কোনো মানুষ কখনো হয়নি এই দুনিয়ায়। আমি সাতাশ বছর ধরে সিঙ্গেল।
- আপনার বয়স?
- ছাব্বিশ বছর তিন মাস। মায়ের পেটের নয়মাস যোগ করে সাতাশ হয়। আপনি বিশ্বাস করবেন না ভাই, আমি একটামাত্র প্রেম করার জন্য লাইফে কি কি করেছি। কিন্তু পারিনি। ছোটবেলা থেকেই ভীষণ লাজুক ছিলাম৷ কোনো মেয়ের সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলতে পারতাম না। দেখতেও ভালো না আমি। বিধায় কথা বলতে আসেনি কোনো মেয়েও। সবাই বলতো ভার্সিটিতে ওঠ, ঠিকই প্রেমিকা পাবি।
- তারপর?
- ভার্সিটিতে উঠে দেখলাম সব ভুল। ভার্সিটি শেষ হলো, তাও প্রেমিকা পেলাম না। সাহস করে তিনটা মেয়েকে প্রপোজ করেছিলাম, দুইজন মুখের ওপর না করে দিছে। কখনো কোনো মেয়েকে স্পর্শ করতে পারিনি লাইফে। হাতটাও ধরিনি, অন্যকিছু ধরা তো দূরের কথা। ফ্রাস্টেশন দূর করতে করতে বাম হাতের রেখা মুছে গেছে প্রায়। লোশন আর টিস্যু কোম্পানির মালিক গাড়ি বাড়ি করে ফেলছে শুধু আমার টাকা দিয়ে, কিন্তু এভাবে আর কতদিন? আপনিই বলেন।
- আচ্ছা একটু আগে যে বললেন তিনজন মেয়েকে প্রপোজ করেছেন, দুইজন না বলেছে। তো আরেকজন?
কামাল কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, 'সে সবার সামনে থাপ্পড় মেরে দিছে। সেদিনই জেদ উঠছে আমার। ডিসিশন নিছি এসব মেয়েদের পেছনে আর না৷ অনেক হইছে। কাউকে গুনব না আমি। নিজেই অপারেশন করে মেয়ে হয়ে যাব। তারপর নিজে নিজেকে স্পর্শ করব, ধরব, চুমু খাবো, যা খুশি করব। কেউ কিছু বলতে পারবে না। শালার মেয়ে মানুষের ধার কামাল আর ধারবে না।'

কথা শেষ করে রাগে কাপতে থাকে সে। মঈন তাকে শান্ত করায়। বলে, 'আচ্ছা আপনার যা খুশি তাই করবেন। আমি কি আপনার ফেসবুক আইডিটা পেতে পারি?
- কেন বলুন তো?
- যোগাযোগ রাখব। মেয়ে হওয়ার পর আপনাকে কেমন দেখায় সেটা দেখতে খুব ইচ্ছা করছে।
- আচ্ছা ঠিক আছে, এড করে নেন।

মঈনের মাথায় তখন অন্য চিন্তা এসেছে৷ সে কামালের জীবন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে চায়। একটা ছেলে এভাবে মেয়ে হয়ে যাবে, এটা কোনো কাজের কথা না।

আইডিয়াটা খুবই সহজ। মঈন একটা ফেক মেয়ে আইডি খুলে কামালকে 'হাই' লিখে নক দেয়।
কামাল সীন করে না। মঈন নক দিতেই থাকে। শেষমেশ একদিন রিপ্লাই আসে, 'কে আপনি? কি সমস্যা?'
মঈন স্মাইলি পাঠায়, 'আপনি আমাকে ইগনোর করছেন কেন? আমাকে কেউ ইগনোর করলে আমার খুব খারাপ লাগে জানেন!'
- তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কোনো মেয়ের প্রতি আমার আগ্রহ নাই৷
- ও আচ্ছাহ, গে আপনি? আচ্ছা ঠিক আছে। ভালো থাকবেন। আপনার বয়ফ্রেন্ডকে আমার সালাম জানাবেন। বাই।
- ওয়েট, ওয়েট, আমি কোনো গে না৷ আমি স্ট্রেইট।
- তাহলে আমার সাথে কথা বলতে কি সমস্যা?
- কোনো সমস্যা নাই। বলেন।

এভাবেই আস্তে আস্তে কথা হতে থাকে দুজনের। কথা থেকে ভালোলাগা৷ ভালোলাগা থেকে প্রেম প্রেম। কেউ কাউকে ভালোবাসার কথা জানায় না ঠিক, কিন্তু দুজনই বুঝতে পারে তারা আসলে প্রেমে পড়েছে। তাদের দেখা হওয়ার ডেট ঠিক হয় সামনের ভ্যালেন্টাইন ডে তে।

কথায় কথায় কামাল জানায়, 'আমি লাইফে একটা বড় ডিসিশন নিয়েছিলাম। তোমার সাথে পরিচয় হওয়াতে সেই ডিসিশন বাদ। আর দরকার হবে না।'

কামাল স্বীকার না করলেও মঈন বুঝতে পারে সে সেক্স চেঞ্জ অপারেশনের কথা বুঝাচ্ছে৷ কিন্তু এখন কামাল যদি মেয়ে না হয়ে যায় তো তাদের এই প্রেমের ভবিষ্যৎ কি? তারা দুইজনের একজনও গে না যে ছেলে ছেলে প্রেম চালাবে।

তখনই এক রাতে কঠিন সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলে মঈন। সে ময়না হবে। মানে নিজেই সেক্স চেঞ্জ অপারেশন করবে।
কামালের মত ফরেভার সিঙ্গেল সে না। মেয়ে মানুষ তার লাইফে বহু এসেছে। কিন্তু সবাই শুধু কষ্টই দিয়ে গেছে। প্রেমিকারা তাকে ছেড়ে বিসিএস ক্যাডার ধরেছে একের পর এক। এমন এক সময় আসছিলো যে ক্যাম্পাসে সবার দৃড় বিশ্বাস ছিলো, মঈনের সাথে প্রেম করলে বিসিএস ক্যাডার পাত্রের সম্বন্ধ আসা নিশ্চিত। মঈন এখন বুঝতে পারে, শেষেরদিকে এতো এতো মেয়ে তাকে ডেইলি প্রপোজ কেন করত। তাদের লক্ষ্য ছিলো ঐ বিসিএস ক্যাডারই।
পরে মঈনের বিয়েও হয়। দেড় বছরের মাথায় বউ ভেগে যায় আপন ছোট ভাইয়ের সাথে৷ কি লজ্জার কথা। হ্যা, সমস্যা মঈনের ছিলো৷ কলিকাতা হারবাল থেকে শুরু করে শক্তি প্রাশ হয়ে সানি লিওনের রেকমেন্ড করা লাভ ফরেভার সে খেয়ে দেখেছে। সংসারে অনাবিল সুখ শান্তিও এসেছে। কিন্তু তার না, তার ছোট ভাইয়ের। ওসব এডে যা দেখায় সবই আসলে ভুয়া।
এখন মেয়ে হয়ে সে চাইলেই কামালের সাথে সুখের সংসার করতে পারে। ইয়েস, দ্বিতীয়বার আর ভাবে না মঈন। ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নেয়।

এদিকে ভ্যালেন্টাইন ডে'ও চলে আসছে। তার আগেই মেয়ে হতে হবে মঈনের। হতে হবে মঈন থেকে আসল ময়না। ফেক আইডিটা তখন হয়ে যাবে রিয়েল।

বিখ্যাত কসমেটিক সার্জন মতিন হক বেশ বয়স্ক মানুষ। প্রায় ষাট ছুই ছুই বয়স। মঈন মেয়ে হতে চায় শুনে তিনি অবাক হন। বলেন, 'দেখুন মঈন সাহেব আপনি নিজেও ডাক্তার। আপনার জানার কথা যেসব পুরুষের দেহটা পুরুষ কিন্তু মনের দিক দিয়ে নারী, শুধুমাত্র তাদেরই অপারেশন করি আমরা। আপনি সুস্থ সবল পুরুষ আপনি এসবে কেন আসলেন?'
'প্রেমের কথা তো আর বলা যায় না। মিথ্যা এক আবেগী গল্প ফাদে মঈন। বলে, আমার স্ত্রী মারা গেছে ছোট্ট দুইটা মেয়ে রেখে৷ তাদের আসলে বাবার চাইতেও মায়ের আদর বেশি দরকার। তাই আমি নিজেই মা হয়ে যেতে চাই।'
- কিন্তু আপনি একটা বিয়ে করলেই তো পারেন।
- নাহ, সৎমা কখনো আপন হয়না। সে আমার মেয়েদের ভালোবাসবে না নিজের সন্তানের মত।
- আপনার ধারণা ভুল। এরকম অনেক নারীই আছে যারা সৎমা কনসেপ্টে বিশ্বাস করে না। তারা মা হতে চায় শুধু।
- আমি বিলিভ করিনা সেটা। তাছাড়া আমি স্ত্রী চাই না, আরেকটা বিয়েও করব না। শুধু ওদের মা চাই।
- আমাকে দুইটা সপ্তাহ টাইম দেন। আমি খুজে দিব। এমন মহিলা খুজে দিব যে আপনাকে বিয়ে না করেই আপনার সন্তানদের মা হবে।
- যদি না পারেন?
- না পারলে তখন আপনার অপারেশন করে দিব। টেনশনের কিছু নাই।
- ঠিক তো?
- অবশ্যই, মাত্র দুই সপ্তাহ নিব আমি। আপনার ঠিকানাটা দিন। কাউকে পেলে যোগাযোগ করব৷

মঈন নিজের কার্ড দেয়৷ বলে এই ঠিকানায় যোগাযোগ করবেন।

মঈন বের হওয়ার পর কসমেটিক সার্জন মতিন হক বিষয়টা নিয়ে ভাবেন৷ তার স্ত্রী মারা গেছেন সেই বহুবছর আগে৷ একটা মাত্র সন্তান রেখে গেছিলেন, সেই মেয়েকেও বউ এর মা নিজের কাছে নিয়ে মানুষ করেছে। মেয়ে এখন স্বামীর সাথে অস্ট্রেলিয়া। খুব শখ ছিলো নিজ হাতে ছোট ছোট বাচ্চা মানুষ করবেন। আশা পূরণ হয়নি৷ স্ত্রীকে অসম্ভব ভালোবাসতেন বলে আরেকটা বিয়ের চিন্তা মাথাতেও আনেননি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। একটা অপারেশন করে বিয়ে ছাড়াই মা হিসাবে দুটো বাচ্চা মানুষ করতে পারেন চাইলে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আর কি চাওয়ার থাকে মানুষের? হ্যা, ডিসিশন নিয়ে নেন মতিন সাহেব। সেক্স চেঞ্জ অপারেশন করে হয়ে যাবেন মহিলা। মতিন হক থেকে হবেন মতিয়া বেগম।

এদিকে কামাল আর মঈনের ভার্চুয়াল লাইফে আরেক ঘটনা ঘটে। কামাল সন্দেহ করে মঈনের খোলা ফেইক আইডি ময়না আসলে ছেলে। সে শিওর হতে পারে না, আবার ফেলেও দিতে পারে না।
সে দেখেছে ময়না নামের আইডিটা এমন কিছু পোস্টে কমেন্ট করেছে যেখানে শুধু ছেলেদেরই কমেন্ট করার কথা। যেমন একটা পেইজে গোপন অঙ্গ লম্বা ও শক্ত হওয়ার মালিশ জাপানি তেল বিক্রি করে। সেখানে ময়না কমেন্ট করেছে, 'ইনবক্সে নক দিয়েছি। চেক করেন।

হর্স মার্কা কস্তরি জাপানি তেল দিয়ে কি করবে একটা মেয়ে? ডিমের কোর্মা রান্না করবে?
শুধু এটাই না, আরো আছে। এক পেজের পোস্ট ছিলো কারা রিলেশনশিপে বেশি লয়্যাল হয়? মেয়ে লাভ, ছেলে ওয়াও।
সেখানে ময়না কেন 'ওয়াও' দিবে?

কামাল ময়নাকে জোরাজুরি করে ভ্যালেন্টাইন ডে না, সামনের সপ্তাহেই দেখা করতে হবে। ময়না ওরফে মঈন রাজি হয় না৷ আমতা আমতা করে। যা বোঝার বুঝে ফেলে কামাল। তার সাথে আবারো ধোকা হয়েছে। ময়নাকে ব্লক করে দিয়ে সেদিনই তার আগের ডিসিশনে ফিরে যায়। এক কসমেটিক সার্জনের কাছে গিয়ে অপারেশন করে মেয়ে হয়ে যায়। নিজের নাম রাখে কমলা।

কামাল ব্লক দিয়েছে দেখে মাথা খারাপ হবার যোগাড় হয় মঈনের। সে অন্য আইডি থেকে কামালকে নক দিবে ভাবে৷ কিন্তু তার আগে মেয়ে হওয়াটা জরুরি। সে তখনই মতিন বাদে আরেক ডাক্তারের কাছে গিয়ে অপারেশন করে ফেলে। হয়ে যায় ময়না।

এদিকে মতিন সাহেব দুই সপ্তাহ টাইম নিয়েছিলেন। কিন্তু ওয়েট করেন না। পরদিনই ডাক্তারের কাছে গিয়ে অপারেশন করে ফেলেন। হয়ে যান মতিয়া।

কমলা, ময়না, মতিয়া। তিনজন নারী। এই পুরুষশাসিত জালিম সমাজে তাদের আপন বলে কেউ নেই। বড় অসহায় তারা।

কামাল ওরফে কমলা এর মধ্যে সত্যিটা বুঝতে পারে৷ নিজের শরীর স্পর্শ করে কোনো মজাই সে পায় না৷ তার একজন পুরুষের দরকার পড়ে। কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর তাকে দেখাচ্ছে হিজড়ার মত। কোনো ছেলেই আর পাত্তা দিবে না। তখনই মনে পড়ে ময়না আইডিটার কথা। সে নিশ্চিত ছিলো ময়না একজন ছেলে। আর ভালোবাসা যেহেতু তাদের মধ্যে ছিলো, তো সেই ছেলেটা তাকে মেনে নিতেও পারে।

ময়নাকে আনব্লক করে নক দেয় কমলা অর্থ্যাৎ কামাল। বলে, 'আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই। আমার তোমাকে কিছু বলার আছে।'
- আমিও দেখা করতে চাই। কালই৷ আমারো তোমাকে কিছু বলার আছে। দেখা করেই বলব।'

কমলা ভাবে ময়না যে ছেলে এই কথাটাই তাকে বলতে চায়। মুচকি হেসে বলে, 'আচ্ছা ঠিক আছে।'

কথা হয় ময়না ওরফে মঈনের বাসায় দেখা করবে ওরা।

এদিকে সার্জন মতিন ওরফে মতিয়া কোনোভাবেই মঈনের পাত্তা পাচ্ছে না। খোজই নাই ছেলেটার। মঈনের দেয়া কার্ডের ঠিকানায় যে চেম্বার সেটা বন্ধ। হতাশ হয়ে পড়ে মতিয়া। তাহলে তার কি মা হয়ে বাচ্চা মানুষ করা হবে না? জীবন তাকে এই সামান্য সুযোগ দেবে না?

সে টাকা দিয়ে একটা গোয়েন্দা লাগায়। গোয়েন্দাকে মঈনের কার্ড দিয়ে বলে এই ছেলের বাসার ঠিকানা আমার চাই। তিন দিনের মধ্যে।

তিনদিন লাগে না। মাত্র একদিনেই ঠিকানা এনে দেয় গোয়েন্দা।

পরদিন, বিকাল চারটা।

সেজেগুজে কামালের জন্য অপেক্ষা করছে ময়না। কলিং বেল বাজে। ডোর হোল দিয়ে চেয়ে দেখে দুই রমনি দাঁড়িয়ে আছে। একজনের বয়স ষাটের কাছে। পরনে হালকা নীল শাড়ি। আরেকজন সাতাশ আটাশ বছরের হবে সর্বোচ্চ। গোলাপি সালওয়ার কামিজ পরা।

সে আস্তে আস্তে দরজা খোলে....!

(গল্প শেষ, এই গল্পের কোনো দ্বিতীয় পর্ব নেই)
লেখা: সোহাইল রহমান

SHARE THIS

0 Comments:

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।